শনিবার , ৩ জানুয়ারি ২০২৬ | ২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. 05.06.2026
  2. casino ch
  3. Helldivers
  4. novos-casinos-2026
  5. public
  6. Satellites DE
  7. Spellen
  8. Spiele
  9. Topaz Photo Ai Pro 402
  10. Uncategorized
  11. অন্যান্য
  12. অপরাধ
  13. অর্থনীতি
  14. আইন আদালত
  15. আইন ও পরামর্শ

যশোরে মাথায় গুলি করে বিএনপি নেতাকে হত্যা

প্রতিবেদক
দৈনিক জানচিত্র
জানুয়ারি ৩, ২০২৬ ১২:৩১ অপরাহ্ণ

যশোর শহরের শংকরপুর এলাকায় বিএনপির এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

নিহত আলমগীর হোসেন (৫৫) যশোর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং নগর বিএনপির সাবেক সদস্য। তিনি যশোর শহরের শংকরপুর এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ ও নিহত ব্যক্তির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যার পর আলমগীর একটি মোটরসাইকেলে করে শংকরপুর এলাকার বটতলা থেকে বাড়ির দিকে ফিরছিলেন। হুদা মেমোরিয়াল একাডেমির সামনে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা তাঁর মাথা লক্ষ্য করে গুলি করে পালিয়ে যায়। স্থানীয় ব্যক্তিরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক বিচিত্র মল্লিক জানান, নিহত ব্যক্তির মাথার দুই পাশে দুটি গুলির চিহ্ন রয়েছে। হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপরাধ আবুল বাশার বলেন, কে বা কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। তবে ওই এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে দেখা হচ্ছে। নিহত ব্যক্তির রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক শত্রু কারা ছিল, সেগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। লাশ যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আগামীকাল ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।

এদিকে গুলিতে নিহত আলমগীরের মরদেহ দেখতে হাসপাতালে যান বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক ও যশোর-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম (অমিত)। তিনি হাসপাতালে আলমগীরের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের শাসনামলেও পরিকল্পিতভাবে বিএনপি নেতা–কর্মীদের হত্যা করা হয়েছে। একই কায়দায় বর্তমান সরকারের আমলেও বিএনপি নেতা–কর্মীদের হত্যা করা হচ্ছে, যা নিন্দনীয় ও গণতন্ত্রবিরোধী।

স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, ব্যক্তিজীবনে আলমগীর হোসেনের সঙ্গে কারও কোনো বিরোধের কথা শোনা যায়নি। তিনি জমি কেনাবেচার ব্যবসা করতেন। দিনের অধিকাংশ সময় ব্যবসার কাজে যুক্ত থাকতেন। এর মধ্যে রাজনীতিতে সময় দিতেন।

নিহত আলমগীরের ভাই জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘স্থানীয়ভাবে আমার ভাইয়ের তেমন কোনো শত্রু ছিল না। তিনি এলাকায় সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। কে তাঁকে গুলি করে মারল, আমরা বুঝতে পারছি না। গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে দেখি তাঁর লাশ পড়ে রয়েছে।’

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক

আপনার জন্য নির্বাচিত

৪৩ ঘণ্টার ব্যবধানে চট্টগ্রামের রাউজানে আবারো যুবদল কর্মী গুলিবিদ্ধ

মুসল্লির তাসবিহ শেষ হওয়ার আগেই ইমাম রুকু, সিজদা থেকে উঠে গেলে করণীয়

Casino ohne OASIS: Alternative Gaming-Seiten für deutsche Spieler

Casino ohne OASIS: Alternative Gaming-Seiten für deutsche Spieler

বাংলাদেশের স্বস্তির খবর, এশিয়া কাপে আফগান দলে নেই টাইগারদের ‘আতঙ্ক’

কলকাতার বাংলাদেশ মিশনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উদযাপন

SafePal Wallet – Your Comprehensive Crypto Management Tool

SafePal Wallet – Your Comprehensive Crypto Management Tool

রাশিয়ার তেল কেনার জন্য ভারতের ওপর শুল্ক যথেষ্ট পরিমাণে বাড়ানো হবে: ট্রাম্প

পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে সহিংসতা, ১৫০০ আটক

বিসিবির প্রতিটি টাকায় ক্রিকেটারদের কষ্ট মিশে আছে: মিরাজ

নির্ধারিত স্থানে সরে যেতে নির্দেশ, মিরপুরের হকারদের ডিজিটাল পরিচয়পত্র প্রদান