রবিবার , ২৯ মার্চ ২০২৬ | ২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. 05.06.2026
  2. casino ch
  3. Helldivers
  4. novos-casinos-2026
  5. public
  6. Satellites DE
  7. Spellen
  8. Spiele
  9. Topaz Photo Ai Pro 402
  10. Uncategorized
  11. অন্যান্য
  12. অপরাধ
  13. অর্থনীতি
  14. আইন আদালত
  15. আইন ও পরামর্শ

বিশ্বকাপে রোনালদো–মদরিচের পথে আরও এক ফরোয়ার্ড, দরজায় ইতালি

প্রতিবেদক
দৈনিক জানচিত্র
মার্চ ২৯, ২০২৬ ১২:৪৬ পূর্বাহ্ণ

বয়স কারও কারও জন্য শুধুই একটি সংখ্যা। এডেন জেকো তেমনই একজন। চল্লিশ পেরিয়েও এখনো বড় মঞ্চে ম্যাচের গতিপথ বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন বসনিয়ান স্ট্রাইকার। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্লে–অফ সেমিফাইনালে ওয়েলসের বিপক্ষে সেটিই আবার প্রমাণ করেছেন তিনি।

ম্যাচের শুরুতে পিছিয়ে পড়েছিল বসনিয়া-হার্জেগোভিনা। তবে শেষ দিকে জেকোর গুরুত্বপূর্ণ গোলে সমতায় ফেরে দলটি। এরপর টাইব্রেকারে জিতে দলটি জায়গা করে নেয় প্লে–অফ ফাইনালে। এখন শেষ বাধা ইতালি। সেই ম্যাচ জিততে পারলে জেকোর সামনে খুলে যাবে ইতিহাসের দরজা।

৪০ বা তার বেশি বয়সে বিশ্বকাপে খেলা আউটফিল্ড ফুটবলার বলতে এখনো একটাই নাম—রজার মিলা। ১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে মাঠে নামার সময় তাঁর বয়স ছিল ৪২ বছর ৩৫ দিন। চার দিন পর রাশিয়ার বিপক্ষেও খেলেন এবং সেই ম্যাচেই গোল করে গড়েন অনন্য এক রেকর্ড।

দীর্ঘদিন ধরে এই তালিকায় আর কোনো নাম যোগ হয়নি। তবে এবার সেই চিত্র বদলাতে চলেছে। এরই মধ্যে ৪০ পেরিয়ে বিশ্বকাপে খেলার পথে আছেন দুই কিংবদন্তি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও লুকা মদরিচ।

২০২২ বিশ্বকাপের পর অনেকেই ভেবেছিলেন এ দুজনের আন্তর্জাতিক অধ্যায় শেষ। কিন্তু এখনো থামেননি তাঁরা। বরং পর্তুগাল ও ক্রোয়েশিয়াকে নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত হচ্ছেন সম্ভাব্য ষষ্ঠ বিশ্বকাপে। রোনালদোর বয়স গত মাসে ৪১ পেরিয়েছে, মদরিচের চল্লিশ পূর্ণ হয়েছে গত সেপ্টেম্বরে।

এই দুই তারকার তুলনায় জেকোর পথটা ভিন্ন। তিনি শেষবার বিশ্বকাপ খেলেছেন ২০১৪ সালে, যখন তাঁর হাত ধরেই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয় বসনিয়া। সেবার গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিলেও ইরানের বিপক্ষে ৩–১ গোলের জয়ে প্রথম গোলটি করেছিলেন জেকোই। কিন্তু এর পরের দুই আসরে আর বাছাইপর্বই উতরাতে পারেনি বসনিয়া।

এবার আবার সুযোগ এসেছে। তবে সামনে কঠিন পরীক্ষা। কারণ বসনিয়ার মতো ইতালিও সর্বশেষ দুই বিশ্বকাপে খেলতে না পেরে চরম ক্ষুধার্ত। ৩১ মার্চের ম্যাচটিতে ইতালিকে হারালে বসনিয়া শুধু বিশ্বকাপেই ফিরবে না, ৪০ পেরিয়ে বিশ্বকাপ খেলা ফুটবলারদের বিশেষ তালিকায় নাম লেখাবেন জেকো।

২০০৭ সালে আন্তর্জাতিক অভিষেকের পর থেকেই বসনিয়ার আক্রমণের প্রধান ভরসা তিনি। ১৪৭ ম্যাচে ৭৩ গোল—সংখ্যাটাই তাঁর গুরুত্ব বোঝাতে যথেষ্ট। গত দুই দশকের প্রতিটি বছরেই গোল করেছেন তিনি, এমনকি সাম্প্রতিক মৌসুমগুলোতেও ক্লাব ফুটবলে নিয়মিত ছিলেন গোলের মধ্যে।

গত গ্রীষ্মে ইতালির ক্লাব ফিওরেন্তিনাতে যোগ দিয়েছেন জেকো। বয়স নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তাঁর জবাব, ‘বয়স কোনো বিষয় না, আমি এখনো শেষ হয়ে যাইনি।’
তবে বিশ্বকাপের আগে নিজের ফুরিয়ে না যাওয়ার প্রমাণটা ইতালির বিপক্ষে আরেকবার দিতে হবে জেকোকে।

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক

আপনার জন্য নির্বাচিত

শরীয়তপুরে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুনের ঘটনায় ছাত্রলীগের ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে এক বন্ধু নিহত, আহত আরেকজন

ঈদের ছুটিতে পদ্মা-যমুনায় টোল আদায় কোটি কোটি টাকা, কর্ণফুলী টানেলে কত?

জাহানারার যৌন হয়রানির অভিযোগ: তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন

আমি অভিনেতা কিন্তু রাজনীতিতে নেমে অভিনয় করিনি: থালাপতি বিজয়

বাজারে অস্বস্তি ছড়াচ্ছে সবজির দাম

প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে বিএনপি

বাংলাদেশের স্বস্তির খবর, এশিয়া কাপে আফগান দলে নেই টাইগারদের ‘আতঙ্ক’

এআই উন্নয়নে ২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ বিক্রি করবে মেটা

ড. ইউনূসসহ ২৪ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে হাইকোর্টে রিট