গত চার বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে এই উৎসবের উপস্থাপনা করে আসছেন সূচনা। এবারের আসরেও এমন সুযোগ পাওয়ায় বেশ উচ্ছ্বসিত তিনি।কালের কণ্ঠকে সাদিয়া রশ্নি সূচনা বলেন, “বিশ্বব্যাপী সমাদৃত এই চলচ্চিত্র উৎসবের অংশ হতে পারা সত্যিই দারুণ অনুভূতির। প্রতিবারের মতো এবারও বিশ্বের গুণী শিল্পী ও নির্মাতাদের সঙ্গে একই মঞ্চে থাকার সুযোগ পাব।
তাঁদের জীবনদর্শন ও কাজের অভিজ্ঞতা থেকে অনেক কিছু শেখার সুযোগ হয়। এই উৎসবের প্রতিটি মুহূর্তই আমার জন্য ভীষণ স্মরণীয়।”তবে আনন্দের পাশাপাশি সামান্য আক্ষেপও প্রকাশ করেছেন তিনি। সূচনার মতে, পর্যাপ্ত পৃষ্ঠপোষকতা পেলে উৎসবটি আরো আড়ম্বরপূর্ণভাবে আয়োজন করা সম্ভব হতো।
তাঁর ভাষায়, বিশ্বের অন্যান্য দেশে চলচ্চিত্র উৎসবগুলো যেভাবে জাঁকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়, আমাদের দেশেও সেটি করা সম্ভব—যদি পৃষ্ঠপোষকতার পরিমাণ আরো বাড়ে।এর আগে গত চার বছরে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিয়ে ইরানি নির্মাতা মাজিদ মাজিদি, বলিউড অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর, অভিনেতা সব্যসাচী চক্রবর্তী, গায়ক কবীর সুমন, অভিনেত্রী স্বস্তিকা মুখার্জি, শ্রীলেখা মিত্রসহ দেশ-বিদেশের অনেক গুণী শিল্পীর সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন এবং সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সূচনা।
উল্লেখ্য, ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ২৪তম আসর আগামীকাল শুরু হয়ে চলবে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। উৎসবের ভেন্যু হিসেবে থাকছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘর, আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ মিলনায়তন এবং স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় অডিটরিয়াম।
রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত এবারের উৎসবে থাকছে মোট ১১টি বিভাগ।
বিশ্বের ৭০টিরও বেশি দেশ থেকে নির্বাচিত পূর্ণদৈর্ঘ্য ও স্বল্পদৈর্ঘ্যের মোট ২৪৬টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। এর মধ্যে বাংলাদেশের ১৫টি পূর্ণদৈর্ঘ্য ও ৪৩টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র মনোনীত হয়েছে। বাংলাদেশ প্যানারোমা বিভাগে প্রদর্শিত হবে ৯টি চলচ্চিত্র।