শুক্রবার , ১৫ মে ২০২৬ | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. Helldivers
  2. Topaz Photo Ai Pro 402
  3. অন্যান্য
  4. অপরাধ
  5. অর্থনীতি
  6. আইন আদালত
  7. আইন ও পরামর্শ
  8. আন্তর্জাতিক
  9. আবহাওয়া
  10. ইসলাম
  11. কর্পোরেট
  12. কৃষি
  13. ক্যাম্পাস
  14. ক্রিকেট
  15. খুলনা

পর পর তিন কন্যাসন্তান জন্ম দেওয়ায় অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা, ৯ বছর পর স্বামীর আমৃত্যু কারাদণ্ড, পুড়িয়ে মারার সময় স্ত্রীর গর্ভে ছিল যমজ ছেলে

প্রতিবেদক
দৈনিক জানচিত্র
মে ১৫, ২০২৬ ৩:১৬ পূর্বাহ্ণ

পর পর তিন কন্যাসন্তান জন্ম দেওয়ায় অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা, ৯ বছর পর স্বামীর আমৃত্যু কারাদণ্ড, পুড়িয়ে মারার সময় স্ত

পর পর তিন কন্যাসন্তান জন্ম নেওয়ায় ক্ষোভে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রাবেয়া বেগমকে (৩৫) নৃশংসভাবে হত্যা করেছিলেন স্বামী মো. মামুন (৪০)। প্রথমে পেটে লাথি মেরে গুরুতর আহত করা হয় তাকে। পরে কেরোসিন ঢেলে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। পরে ময়নাতদন্তে জানা যায়, রাবেয়ার গর্ভে থাকা দুই সন্তানই ছিল পুত্র।

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার হারামিয়া ইউনিয়নের পূর্ব কাচিয়াপাড়ার গুচ্ছগ্রামে ২০১৭ সালে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় দীর্ঘ ৯ বছর পর বৃহস্পতিবার জননিরাপত্তাবিষয়ক অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রধান আসামি মামুনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে তাকে অতিরিক্ত সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মো. সাহাব উদ্দীন এ রায় ঘোষণা করেন। মামলার অপর আসামি মামুনের চাচা ইমাম হাফেজকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন। আসামি ইমাম হাফেজের পক্ষে ছিলেন সাবেক অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট এম মিলাদুল আমীন মিলাদ। আদালত সূত্র ও মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ২৩ মে সন্ধ্যায় পারিবারিক কলহের জেরে অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী রাবেয়াকে মারধর করেন মামুন। একপর্যায়ে তার পেটে লাথি মারেন। এতে গুরুতর আহত হন রাবেয়া। পরে রাতে নিজের রিকশাভ্যানে করে মরদেহ পার্শ্ববর্তী একটি নির্জন খালে নিয়ে যান মামুন। সেখানে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। পরদিন ব্যাপক খোঁজাখুঁজির পর রাবেয়ার পোড়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় রাবেয়ার ভগ্নিপতি কামাল পাশা বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় মামুন, তার চাচা ইমাম হাফেজ, বোন রোকসানা, ভাইয়ের স্ত্রী রিনা জুলেখা ও ছোট ভাই সুমনকে আসামি করা হয়।

তদন্ত শেষে তিনজনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। মামুন ও ইমাম হাফেজের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম চলে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসে আরও হৃদয়বিদারক তথ্য। সেখানে দেখা যায়, রাবেয়ার গর্ভে যমজ সন্তান ছিল এবং দুজনই ছেলে। বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন বলেন, মামুন প্রায় সাড়ে ছয় বছর কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্তি পান। পরে যুক্তিতর্কের পর্যায় থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন। আদালত তার অনুপস্থিতিতেই রায় ঘোষণা করেন। অন্যদিকে খালাস পাওয়া আসামি ইমাম হাফেজ রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box

সর্বশেষ - আন্তর্জাতিক

আপনার জন্য নির্বাচিত
Premium SEO Backlinks
Premium SEO Backlinks