প্রিজন ভ্যান থেকে নামানোর সময় সালমান এফ রহমানকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, হেলমেট ও হাতকড়া পরানো হয়। তখন তিনি বেশ বিরক্ত হন। সালমান এফ রহমান বলে ওঠেন, ‘এই গরমে এসব পরে মরেই যাব।’
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন সালমান এফ রহমান। আজ বৃহস্পতিবার কারাগার থেকে প্রিজন ভ্যানে করে তাঁকে ঢাকার আদালতে হাজিরা করা হয়। একই প্রিজন ভ্যানে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও ঢাকা-১৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খানকে আদালতে আনা হয়।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজন ভ্যানটি আসে। প্রিজন ভ্যান থেকে প্রথমে নামানো হয় সালমান এফ রহমানকে। নামানোর সময় তাঁকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, হেলমেট ও হাতকড়া পরান দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা। তখন সালমান এফ রহমান বিরক্তি প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন, ‘অনেক গরম, খুব গরম।’ সালমান এফ রহমানের পর প্রিজন ভ্যান থেকে নামানো হয় আনিসুল হক ও সাদেক খানকে।
কিছুটা পরে আদালত প্রাঙ্গণে আরেকটি প্রিজন ভ্যান আসে। সেটিতে ছিলেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্মেদ পলক। তিনি পুলিশের কাঁধে ভর দিয়ে প্রিজন ভ্যান থেকে নামেন। তাঁর গায়ে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ছিল। মাথায় হেলমেট ছিল না। আর ঘাড়ে ছিল সার্ভাইক্যাল কলার। প্রিজন ভ্যান থেকে নামানো হলে পলক বলেন, ‘হাসপাতাল থেকে আসছি…ব্যথা এখনো রয়েছে।’ পরে তাঁকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়।
আদালত সূত্র জানায়, সালমান এফ রহমান, আনিসুল হক ও সাদেক খানকে আজ আদালতে হাজিরা করা হয় মানিলন্ডারিংয়ের পৃথক দুটি মামলায়। আর পলককে আদালতে হাজির করা হয় জুলাই গণ–অভ্যুত্থানকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মালবাহী ট্রাকের চালক মো. হোসেনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে করা মামলায়।



















