আসন্ন সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন ২০২৬ ঘিরে সাংবাদিক মহলে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদে প্রার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং মনোনয়ন জমাদানের মধ্য দিয়ে নির্বাচনটি বেশ প্রতিযোগিতাপূর্ণ ও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে।
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে মোট ২৩টি পদের বিপরীতে ৫৪টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। যা থেকে বোঝা যাচ্ছে, প্রতিটি পদেই একাধিক প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকছে এবং একটি জমজমাট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে অভিজ্ঞ সাংবাদিকদের পাশাপাশি নতুন মুখের উপস্থিতিও, যা নির্বাচনকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তুলেছে।
আজ (বৃহস্পতিবার) মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানা যায়। এই তালিকা প্রকাশের পর থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে নির্বাচনী প্রচারণা। প্রার্থীরা ইতোমধ্যে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন এবং নানা প্রতিশ্রুতি তুলে ধরছেন।
নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ভোটগ্রহণের দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং নিরবচ্ছিন্ন ভোটদান নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
এদিকে, বহুল প্রত্যাশিত এই নির্বাচন আগামী ১৪ মে ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) ঢাকার ঐতিহ্যবাহী জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে। সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে বলে জানা গেছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থী ও ভোটারদের মধ্যে ইতোমধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
সাংবাদিক সমাজের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই নির্বাচনের মাধ্যমে একটি দক্ষ, যোগ্য ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে, যারা সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষা, পেশাগত মানোন্নয়ন এবং সংগঠনের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অংশগ্রহণমূলক এই নির্বাচন শুধু নেতৃত্ব বাছাইয়ের প্রক্রিয়াই নয়, বরং সাংবাদিক সমাজের ঐক্য ও গণতান্ত্রিক চর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন।


















